আপনারা কি জানেন এক ব্রাহ্মণের অভিশাপের কারণে পুরো নন্দ বংশ ও তাদের সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে যায় ,এটি কোনো কাল্পনিক ঘটনা নয় এটির ঐতিহাসিক প্রমান আছে যা পাওয়া যায় পুরান , বৌদ্ধ গ্রন্থ (মহাবংশ ) থেকে। 

এক ব্রাহ্মণের অভিশাপ ( নন্দ বংশ ধ্বংস)

রাজসভা উপস্থিতি 

তখন রাজা ছিলেন ধননন্দ, ভরা রাজসভা , সঙ্গে ছিলেন তার মন্ত্রী গণ ও তক্ষশীলা এক ব্রাহ্মণ যিনি তার আসনে বসে ছিলেন। 

এনি কোনো সাধারণ ব্রাহ্মণ ছিলেন , উনি জানতেন না যে তার মহানতা কতটা ,যার মহানতা আজো চর্চা হয়। 

ধননন্দ কুট মন্তব্য 

সম্রাট ধননন্দ সভায় প্রবেশ করে তিনি ওই ব্রাহ্মণ কে দেখে কুট মন্তব্য করেন ,ওই ব্রাহ্মণ তার সাধারণ বেশভুসা ই ছিলেন ও তার গায়ের রং ছিল কালো। 

তিনি উচ্চস্বরে প্রশ্ন করেন কে এই কুৎচিত ব্যাক্তি যে রাজকীয় আসনে বসার সাহস করেছে , এবং ওই ব্রাহ্মণ কে উঠে যেতে বলেন 

শারীরিক লাঞ্ছনা 

যখন ওই ব্রাহ্মণ সে তার যুক্তি দিয়ে তার নিজের অধিকার নিতে চান , তাই ধননন্দ ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্রাহ্মণ কে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে গিয়ে তার চুলের শিখা খুলে যাই। 

সেই সময় কোনো ব্রাহ্মণের  শিখা খুলে যাওয়া ছিল চরম অপমান 

ব্রাহ্মণের প্রতিজ্ঞা 

এই অপমানের কারণে রাজদরবারে দরিয়া ওই ব্রাহ্মণ প্রতিজ্ঞা করেন যে 

"যতক্ষন না আমি এই অহংকারী ধননন্দ কে না সরিয়ে ,এই সম্রাজ্যে একটি যোগ্য শাসক না বসাবো ও দিন আমি আমার শিখা বাঁধব না "

এই অপমানের কারণে চাণক্য  চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য কে , ধননন্দ পরাজিত করে তার আসনে বসান। এটি কোনো কাল্পনিক গল্পনা এর ঐতিহাসিক প্রমান আছে। 

এর এই ব্রাহ্মণ হলেন  বিষ্ণুগুপ্ত চাণক্য। 

ধননন্দ কে ছিলেন?

নন্দ বংশের শেষ রাজা। 

চাণক্য কে ছিলেন?

কোটিল্য , যিনি তক্ষশীলার এক ব্রাহ্মণ , যিনি অর্থশাস্ত্র লিখেছেন। 

আরো পড়ুন -