বর্তমান নেপালে , কপিলাবস্তু নগরে গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করে , তার আদিনাম ছিল সিদ্ধার্থ, তার পিতার নাম শুদ্ধোধন , তার মাতার নাম ছিল মায়া দেবী ( শাক্য রাজকন্যা বলাহয় )।
বুদ্ধের জন্মগ্রহণ করার আগে , রাজ্ জোতিষী একটি ভবিষ্যতবাণী করেন যে তিনি বড় হয়ে একজন সাধক হবেন , তাই তার পিতা শুদ্ধোধন তাকে মহলের মধ্যে আটকিয়ে রাখেন ও তার বিবাহ দেওয়া হয়। তার স্ত্রীর নাম যশোধরা ( ইনি গোপাদেবী নাম পরিচিত ) , তার পুত্রের নাম রাহুল।
বুদ্ধের জাতি ছিল ক্ষত্রিয় ও বংশ ছিল শাক্য। .
তিনি একবার রাজ্য ভ্রমণ করতে গিয়ে , তিনি একজন জরাগ্রস্ত ও অসুস্ত ও মৃত্ ব্যাক্তি আর শান্ত সন্যাসীকে দেখে , তিনি শান্তির মার্গ এর দিকে চলে যান। ( ভবিষৎ বাণীতে বলেছিলো এই ধরণের ব্যাক্তি দের দেখলে তিনি সন্যাসী হবেন ).
তিনি গভীর রাতে , তার প্রিয় জন কে না জানিয়ে তার অশ্ব কন্থক ও তার রথী ছন্দক কে নিয়ে যান। তারপর মাজপথে তাদের কে ত্যাগ করে কাসায়ী বস্ত্র পরে চলে যান , তার বয়স ২৯।
বর্তমান বিহার রাজ্যের বোধগয়া তে - বোধিবৃক্ষ নিচে ধ্যান করে নির্বাণ লাভকরেন।
বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থের নাম কি ?
বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থের নাম হলো ত্রিপিটক ( বিনয় পিটক, সুত্ত পিটক এবং অভিধম্ম পিটক ) , এখানে বৌদ্ধ সাধক দের নিয়ম লেখা আছে।
বৌদ্ধ ধর্মের মূলনীতি ?
বৌদ্ধ ধর্মের মূলনীতি গুলো হলো চারটি আর্যসত্য যা হলো - দুঃখ আছে , দুঃখের কারণ আছে , দুঃখ নিবারণ আছে ও দুঃখ নিবারণের উপায় আছে ।
এবং অষ্টাঙ্গিক মার্গ ( সঠিক বোধ , বাক্য ,সংকল্প ,কর্ম ,জীবিকা ,প্রচেষ্টা ,স্মৃতি ও সমাধি ) এই গুলো মানলে দুক্ষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
বৌদ্ধ ধর্ম পতনের কারণ ?
প্রতিবাদী ধর্ম আন্দোলনের মধ্যে একটি বড়ো ধর্ম হলো বৌদ্ধ ধর্ম ,যার পতনের অনেক কারণ আছে যার মধ্যে কিছু উল্লেখ যোগ্য কারণ হলো -
গৌতম বুদ্ধ কে বিষ্ণুর অবতার বলা হয় , যার কারণে সেই সময় যারা হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্ম আসে তারা আবার হিন্দু ধর্মে ফিরে যায়। কারণ বুদ্ধ কে বলাচ্ছে বিষ্ণুর অবতার।
সময়ের সাথে বৌদ্ধ ধর্ম দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায় যা হলো হীনযান ও মহাজন। কারণ হীনযান ও মহাজন এর কঠোর নিয়ম ও অনুষ্ঠান এর কারণে সাধারণ মানুষ এই ধর্ম কে পালন করতে অসুবিধা হয়।
হিন্দু ধর্ম পুনরায় উত্থান এর কারণে, বৌদ্ধ ধর্ম প্রভাবিত করে।
.webp)
0 Comments
Post a Comment